ই-কমার্স তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য অসাধারণ সুযোগ -মোস্তাফা জব্বার

ই-কমার্স তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য অসাধারণ সুযোগ -মোস্তাফা জব্বার

ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে) :  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রচলিত পদ্ধতিটি একদিন সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল হবে। আগামী দু‘এক বছর পর ডিজিটাল কমার্সের আওতায় কোনটা নেই সেটা খুঁজতে হবে। বাণিজ্যের ডিজিটাল এই রূপান্তর তরুণ প্রজন্মের আত্মকর্মসংস্থানের অসাধারণ সুযোগ তৈরি করেছে।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় জিপিও চত্বরে ডাক অধিদপ্তর, ই-কমার্স এসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ এবং ই-ক্যাব এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ই-কমার্স মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের হাজার হাজার তরুণ তরুণী ই-কমার্সে সংযুক্ত হয়ে এই খাতে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। এই খাতের চ্যালেঞ্জের যে জায়গাগুলো ছিলো তার প্রায় সবগুলোই অতিক্রান্ত হয়েছে। বড় চ্যালেঞ্জটি ছিলো পণ্য গ্রাহক পর্যায়ে নিরাপদে পৌঁছানো। ডাক অধিদপ্তরের ৪৩ হাজার কর্মীবাহিনী এবং গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ডাক অধিদপ্তরের বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সেটাও সফলভাবে অতিক্রম করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে শত শত বছরের পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে অগ্রগতি অগ্রযাত্রায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ পাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন দৃশ্যমান। ১৯৮১ সালের আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলার মাটিতে পদার্পণ করেছিলেন। সে দিনের পর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্লের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালের পর থেকে গত দশ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী গ্রাহক সন্তুষ্টির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের বিষয়টি ই-ক্যাব কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্টি না থাকলে ব্যবসা শোরুম বা এনালগ পদ্ধতি কিংবা ডিজিটাল পদ্ধতিতেই করা হোক না কেন ব্যবসার সফলতা আসবে না। ক্রেতা বা ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করতে পারলে ডিজিটাল ব্যবসার প্রতি মানুষ প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে অনেক বেশি আস্থা রাখতে পারে। এই ব্যাপারে আইনগত কাঠামো তৈরিতে সহযোগিতাসহ ডিজিটাল কমার্স বিকাশে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সরকার বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্র, সাবেক মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ তমাল এবং দারাজ সিইও সৈয়দ মিস্তাহিদুল হক বক্তৃতা করেন।

পরে মন্ত্রী মেলার উদ্বোধন করেন এবং স্টল পরিদর্শন করেন। মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ৮০টি স্টল স্থান পেয়েছে।

Leave a Comment