কৃষিতে গতানুগতিক ধারা পরিহার করতে হবে-কৃষিমন্ত্রী

কৃষিতে গতানুগতিক ধারা পরিহার করতে হবে-কৃষিমন্ত্রী

নতুন নতুন উন্নত জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষকদেরকে চাষে আকৃষ্ট করতে হবে। কৃষকরা আকৃষ্ট হবে, লাভবান হবে স্বল্প সময়ে অধিক উৎপাদন হয় এমন জাত কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষিকে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে একে সম্মানজনক পেশায় পরিণত করতে হবে। তাহলে দেশের শিক্ষিত তরুণরা এ পেশায় এগিয়ে আসবে। গতানুগতিক ধারা পরিহার করে নতুন উদ্যোমে কাজ করতে হবে।

আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটরিয়ামে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের জাতীয় কর্মশালায় এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী ডাল, তেল ও মসলার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে সবাইকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, বর্তমানে মোট তেল আমদানি করতে হয় প্রায় ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকার তার মধ্যে শুধু ১৩-১৪ হাজার কোটি টাকার খাবার তেল আমদানি করতে হয়। ফলে বিপুল অংকের টাকা এখাতে ব্যয় হচ্ছে। আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি তৈল বীজ আবাদের এলাকা বৃদ্ধি করতে হবে। আগামী ৫ বা ১০ বছরে ভোজ্য তেল আমদানি কি পরিমাণ কমাতে হবে এবং এর জন্য কি পরিমাণ এলাকা আবাদের আওতায় আনতে হবে তা একটি সুনিদিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগোতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মীর নূরুল আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ উইংয়ের মহাপরিচালক আশ্রাফ উদ্দিন আহমেদ। প্রকল্পের মূল কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স।

Leave a Comment