রাণীনগর নৌকার প্রার্থী ইসরাফিল আলমের সংবাদ সম্মেলন

রাণীনগর নৌকার প্রার্থী ইসরাফিল আলমের সংবাদ সম্মেলন

তানভীর আহম্মেদ, রাণীনগর, নওগাঁ (প্রতিনিধি ): নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনের বিএনপির প্রার্থী আলমগীর কবির নির্বাচনকে বানচাল করতে ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আ.লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রাণীনগর হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ইসরাফিল আলম অভিযোগ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৫ সালে ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে আলমগীর প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় আত্রাই ও রাণীনগরকে একটি রক্তাক্ত জনপথে পরিণত করেছিলেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় সে বাংলাভাইসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন এ এলকার ৭৬ জন মানুষকে হত্যা করে। শত শত মানুষ পুঙ্গ হয়ে আজও দুর্বিসহ জীবন অতিবাহিত করছে। ফলে হাজার হাজার ভুক্তভোগী মানুষ তার প্রতি বিক্ষুব্ধ। ২০০৫ সালে আলমগীর কবির বিএনপি ত্যাগ করে বিকল্পধারায় যোগ দেওয়ার পর থেকে অনেকটা লোকান্তরিত হয়ে যান। এরপর থেকে গত ১২ বছর ধরে এলাকায় শান্তি বিরাজ করছিল। কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ মূহূর্তে তিনি আবারো বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করলে এ এলাকা আবারো অশান্ত হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ২০০৫ সালে দল ত্যাগ করার সময় আলমগীর কবির বিএনপির বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু করেন। এই সব কর্মকাণ্ডের জন্য তার ছোট ভাই বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই সময় তার কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছেন ও বিক্ষোভ করেছিলেন। নির্বাচনের আগে বিএনপিতে তার প্রত্যাবর্তনের ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে তাকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। অথচ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সকল আপত্তি সত্ত্বেও আলমগীরকেই আবারো মনোনয়ন দেওয়ায় এখানে স্পষ্টত দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচনী শুরুর পর থেকে তিনি নেতাকর্মী ও ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাঁড়া পাননি। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচনে নির্ঘাত পরাজয় জেনে তিনি এখন নির্বাচনবিরোধী অপতৎপরতা শরু করেছেন।

ইসরাফিল আলম অভিযোগ করেন, দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে আলমগীর কবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করাচ্ছে। অথচ তিনি বারবার নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যমের কাছে তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর ও প্রচারণায় বাধা দেওয়ার ‘মিথ্যা’ অভিযোগ করে যাচ্ছেন।

Leave a Comment