আদালতের আদেশ হাতে আসলে বিএনপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত : ইসি সচিব

আদালতের আদেশ হাতে আসলে বিএনপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত : ইসি সচিব

কমিটির সদস্যপদের অযোগ্যতাশীর্ষক ৭ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করে বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষে নিচ্ছে জানতে চেয়ে কমিশন সচিবকে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা।

 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, আদালতের আদেশ এখনও কমিশনের হাতে আসেনি। আদেশের কপি পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনে বৈঠক করে এ বিষয় করনীয় জানানো হবে।

 

তিনি বলেন, আদেশে কী আছে আমরা এখনও জানি না। তাই এ বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। আদেশ হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে।

 

উল্লেখ্য, আজ বুধবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মাদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ৭ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করে বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিএনপি দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে গ্রহণের জন্য দাখিল করলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন মোজাম্মেল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। আইনজীবী ছিলেন মমতাজ উদ্দিন মেহেদী।

দণ্ডিতরা পদে থাকতে পারবেন না- বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধনীতে বাদ দেয়া এমন বিধান কেন বেআইনি ও সংবিধানের ৬৬ (ঘ)-এর পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলীয় কাউন্সিলে গঠনতন্ত্রে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সেই সংশোধনীসহ বিএনপির নতুন গঠনতন্ত্র চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি জমা দেয়া হয় নির্বাচন কমিশনে। তাতে দেখা যায়, বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ ধারাটি সংশোধন করেছে।

গঠনতন্ত্রের ৭ ধারাটিতে ছিলো- দুর্নীতিপরায়ণ কোনও ব্যক্তি বা দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত কোনও ব্যক্তি বিএনপির কোনও পর্যায়ের নেতৃত্বে আসতে পারবে না।

Leave a Comment