শনিবার, ০৪ Jul ২০২০, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী নিজেই পাটকল শ্রমিকদের দায়িত্ব নিয়েছেন: পাটমন্ত্রী ভার্চুয়াল  বৈঠকে সাবেক কূটনীতিকদের পরামর্শ নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩১১৪ ও মৃত্যু ৪২ উত্তেজনার মাঝেই লাদাখ সফরে গেলেন মোদি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ফারুক কাজী মারা গেছেন ভারতের রপ্তানি পণ্য গ্রহণ না করার প্রতিবাদে আমদানিও বন্ধ ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে করোনার টিকা বাংলাদেশের বাজারে ছাড়বে গ্লোব গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৮, আক্রান্ত ৪০১৯ খাদ্যে ভেজালকারীরা জরিমানা নিয়ে আর প্রশ্ন তুলতে পারবে না : মেয়র তাপস দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

বায়ু দূষণ রোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট

রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ঢাকার বায়ু দূষণ নিয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন এইচআরপিবি করা রিটে এক সম্পূরক আবেদনের পর সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের হাইকোর্টে বেঞ্চ নির্দেশনাগুলো দেন।

হাইকোর্টের দেয়া নির্দেশনাগুলো হচ্ছে:

১. ঢাকা শহরের মধ্যে যেসব ট্রাক বা অন্যান্য যানবাহনে বালি বা মাটি পরিবহন করা হয়, সেগুলো কাভার্ড (ঢাকনা) যুক্ত করতে হবে।

২. যেসব জায়গায় নির্মাণ কাজ চলে সেসব স্থানে ঠিকাদারদের ঢাকনা দিয়ে নির্মাণ কাজ পরিচালনা করতে হবে।

৩. ঢাকার সড়কগুলোতে পানি ছিটানোর যে নির্দেশ ছিল, সে নির্দেশ অনুযায়ী যেসব জায়গায় এখনও পানি ছিটানো হচ্ছে না, সেসব এলাকায় পানি ছিটানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. সড়কের মেগা প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ এবং কার্পেটিংয়ের যেসব কাজ চলছে, সেসব কাজ যেন আইন কানুন এবং চুক্তির শর্ত মেনে করা হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. গাড়ির কালো ধোয়া ছাড়ে সেগুলো জব্দ করতে বলা হয়েছে।

৬. সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী রাস্তায় চলাচলকারী গাড়ির ইকোনোমিক লাইফ নির্ধারণ করতে হবে এবং যেসব গাড়ি পুরোনো হয়ে গেছে সেগুলো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৭. যেসব ইটভাটা লাইসেন্সবিহীনভাবে চলছে, সেগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও বন্ধ করা হয়নি, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ।

৮. পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া টায়ার পোড়ানো এবং ব্যাটারি রিসাইকিলিং বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৯. মার্কেট এবং দোকানের বর্জ্য প্যাকেট করে রাখতে হবে এবং মার্কেট ও দোকান বন্ধের পরে সিটি করপোরেশনকে ওই বর্জ্য অপসারণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকায় বায়ু দূষণ কেন রোধ করা যাচ্ছে না এবং বায়ু দূষণ রোধে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে এবং ১ মার্চের মধ্যে সব বিবাদীকে ওই ৯ দফা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার এবং সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন সাইদ আহমেদ রাজা।

শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
IT & Technical Supported By BiswaJit