বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ :
বিজ্ঞানশিক্ষা নবম শ্রেণী পর্যন্ত বাধ্যতামূলক -প্রধানমন্ত্রী পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা দ্বিতীয় দিনেও আমদানি রফতানি বন্ধ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবায় খাস পুকুরে উন্নয়ন -ভূমিমন্ত্রী অগ্নিনিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সিআইডি সদর দপ্তরে মহড়া অনুষ্ঠিত জয় শ্রী রাম বলতে বলতে দিল্লির মসজিদে আগুন, মিনারে হনুমানের পতাকা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৮ আগামীকাল বুধবার থেকে হিজরির রজব মাস গণনা শুরু, ২২ মার্চ পবিত্র শবে মেরাজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনীতে যেসব বিদেশি অতিথি আসছেন মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোরাবক মারা গেছেন দিল্লিতে সিএএ নিয়ে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৭, ১৪৪ ধারা জারি

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের সকল দেশের জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে বিশ্বনেতাদের একসাথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন।

ভারতের নয়াদিল্লীতে চলমান UNCCD COP-14 সম্মেলনে আজ বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন। গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী COP-14- এর হাই লেভেল সেগমেন্ট উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের কৃষি সম্পূর্ণ নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু উজানের পানি প্রবাহ সংকুচিত হবার ফলে এ দেশের কৃষিব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ দেশের ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদীতে পানিপ্রবাহ সচল রাখার জন্য উজানের পানির ওপর নির্ভর করতে হয়। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এখন মরুময়তার হুমকিতে পড়েছে। জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে এ দেশের সীমিত ভূমিতে একাধিক ফসল ফলাতে হয়, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সকল সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমানোর কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদেরকে আন্তরিকতার সাথে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

চলতি কনভেনশনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য ২০১৮-২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩০টি সিদ্ধান্তের বিষয়ে সম্মতির মাধ্যমে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের একমত হওয়ার কথা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মরুময়তা ও ভূমি অবক্ষয় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবনের উন্নতি করা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের উন্নয়ন করা, দুর্যোগ ও খরার প্রভাব প্রশমিত করা।

শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
IT & Technical Supported By BiswaJit