শনিবার, ০৪ Jul ২০২০, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী নিজেই পাটকল শ্রমিকদের দায়িত্ব নিয়েছেন: পাটমন্ত্রী ভার্চুয়াল  বৈঠকে সাবেক কূটনীতিকদের পরামর্শ নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩১১৪ ও মৃত্যু ৪২ উত্তেজনার মাঝেই লাদাখ সফরে গেলেন মোদি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ফারুক কাজী মারা গেছেন ভারতের রপ্তানি পণ্য গ্রহণ না করার প্রতিবাদে আমদানিও বন্ধ ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে করোনার টিকা বাংলাদেশের বাজারে ছাড়বে গ্লোব গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৮, আক্রান্ত ৪০১৯ খাদ্যে ভেজালকারীরা জরিমানা নিয়ে আর প্রশ্ন তুলতে পারবে না : মেয়র তাপস দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ ফেব্রুয়ারি ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“প্রতি বছরের মত এবারও ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’ আয়োজিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি আয়োজক সংস্থা- বাংলা একাডেমি, দেশি-বিদেশি প্রকাশক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের একুশে গ্রন্থমেলা উৎসর্গ করা হয়েছে সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

আজকের এই দিনে আমি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিকসহ সকল ভাষা শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল ভাষা সৈনিকের প্রতি।

বাংলা ভাষা আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের প্রাণে অনুরণিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি এখন ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’। এই স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কানাডা প্রবাসী সালাম ও রফিকসহ কয়েকজন বাঙালি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ সরকার এ বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব উত্থাপন করে। যার ফলশ্রুতিতে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের জন্য আমি ইতোমধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবি উত্থাপন করেছি। বিশ্বের সকল ভাষাগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, বিকাশ ও চর্চার লক্ষ্যে আমরা ঢাকায় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেছি।

জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে তাঁর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক নিয়ে বাংলা একাডেমি আজ থেকে পর্যায়ক্রমে ১০০টি নতুন বই প্রকাশ শুরু করেছে। এর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ বঙ্গবন্ধুর লেখা নতুন বই ‘আমার দেখা নয়া চীন’। আমি বঙ্গবন্ধুর এ বইয়ের প্রকাশক বাংলা একাডেমি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আশা করি, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা- এর মত এই বইটিও দেশি-বিদেশি পাঠকের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হবে।

জ্ঞানচর্চা ও পাঠচর্চা বিস্তারে গ্রন্থমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রন্থমেলা এমন একটি মাধ্যম, যা জাতির অগ্রগতির ও উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গ্রন্থমেলা আমাদের অস্তিত্ব, জীবনবোধ এবং চেতনাকে জাগ্রত করে। বইয়ের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুকে যথাযথভাবে তুলে ধরবেন-  প্রকাশক ও লেখকদের প্রতি এ আহ্বান জানাচ্ছি।

আসুন, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলি। সকল ভেদাভেদ ভুলে মহান একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে একসঙ্গে কাজ করব-  এই হোক একুশে গ্রন্থমেলায় আমাদের অঙ্গীকার।

আমি ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

                                                                                      জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                      বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
IT & Technical Supported By BiswaJit